নায়িকারায় এখন আইটেম গানের “আইটেম  গার্ল” হিসেবে অভিনয় কেরছে

অনলাইন ডেক্স: একটা সময় ছিল ছবিতে ‘আইটেম গান’–এর জন্য নির্দিষ্ট ছিলেন কয়েকজন অভিনয়শিল্পী। প্রতিটি ছবিতে ঘুরেফিরে তাঁরাই থাকতেন। কিন্তু এ ধারায় পরিবর্তন দেখা গেল সম্প্রতি। এখন ছবির নায়িকারাই অংশগ্রহণ করছেন এ ধরনের গানে।

সম্প্রতি শাহেনশাহ ছবিতে নুসরাত ফারিয়াকে ‘রসিক আমার’ গানে দেখা গেল। ওই ছবিতে নায়িকাও ছিলেন ফারিয়া। এ ছাড়া বীর ছবির নায়িকা বুবলী ছবির আইটেম গান ‘মিস বুবলী’তে ছিলেন। এর আগে রক্ত ছবিতে ‘ডানা কাটা পরি’ গানে পরীমনি, অগ্নি ২ ছবিতে ‘ম্যাজিক মা মণি’ ও অবতার ছবিতে ‘রঙ্গিলা বেবি’ গানে দেখা গেছে মাহিয়া মাহিকে। যদিও চলচ্চিত্রের এসব আইটেম গানে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যেত বিপাশা কবির, সাদিয়া আফরিন, তানহা মৌমাছি, ইশরাত পুনম, চমক তারা প্রমুখকে।

মূলত ছবির প্রতি বাড়তি আকর্ষণ তৈরিতে ও প্রচারে সুবিধা করার জন্য ছবিতে আইটেম গান রাখার প্রচলন শুরু হয়। তবে ছবির খরচ কমাতে এখন নায়িকাদের দিয়েই আইটেম গান তৈরি করতে ইচ্ছুক পরিচালকেরা। শাহেনশাহ ছবির পরিচালক শামীম আহমেদ বলেন, ‘এখন আইটেম গানের ধরন পাল্টেছে। আগে ছবিতে আকর্ষণ তৈরির জন্য এবং ছবিতে বাড়তি কাস্টিং ভ্যালু যোগ করতে আইটেম গানের জন্য আলাদা অভিনেত্রী নেওয়া হতো। এখন ছবির গল্পের সঙ্গে প্রাসঙ্গিকতা রেখে এ গান তৈরি করা হয়। তাই ছবির নায়িকারাই এ গানে সহজে মানিয়ে যান। এতে বাড়তি খরচও গুনতে হয় না।’

অনন্য মামুনের আমি তোমার হতে চাই ছবিতে বিদ্যা সিনহা মিম ও অস্তিত্ব ছবিতে নুসরাত ইমরোজ তিশাকে আইটেম গানে দেখা গেছে। সম্প্রতি শুটিং শেষ হওয়া এই পরিচালকের আরেকটি ছবি সাইকোতে এ ধরনের গানে নেচেছেন ছবির নায়িকা পূজা চেরি। অনন্য মামুন বলেন, ‘এ গানগুলো করা হয় ছবির গল্পকে এগিয়ে নিতে। মোটকথা গল্পের প্রয়োজনে, ছবির প্রচারের জন্য রাখা হয়। এখন এসব গানে ছবির নায়িকাকেই রাখা হচ্ছে। কারণ, নায়িকা থাকলে দর্শকের কাছে গানের গ্রহণযোগ্যতা এগিয়ে থাকে।’

বিদ্যা সিনহা মিম বলেন, ‘এখন আইটেম গানগুলো স্মার্ট হচ্ছে। সেগুলো গল্পের প্রয়োজনেই করা হচ্ছে। তা ছাড়া নায়িকা নিজেই ছবির আইটেম গানে থাকলে ছবির আলোচনাটা আরও বেশি হয়। অযথাই আরেকজনকে নিয়ে প্রযোজকের বাড়তি খরচ করার দরকার কী।

দেশের কন্ঠ/বশিরুল ইসলাম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *